সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন -১৮৭৭ এর উপর গুরুত্বপূর্ণ এম সি কিউ এবং উত্তর

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন -১৮৭৭ এর উপর ৪৯ টি  গুরুত্বপূর্ণ এম সি কিউ এবং উত্তর

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন -১৮৭৭
১।সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন কত সালের এবং কত নং আইন ?
উত্তর- ১৮৭৭ সালের এবং ১ নং আইন।
২।সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন কখন বলবত হয় ?
উত্তর- ১৮৭৭ সালের ১লা মে থেকে বলবৎ হয়।
৩।সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে সর্বমোট কয়টা ধারা আছে ?
উত্তর- ৫৭ টি।
৪।স্থাবর সম্পত্তি দখল পূনরুদ্ধারের মোকদ্দমা করা হয় কত ধারা মতে ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা মতে।
৫।প্রতিরোধ বা নিরোধক প্রতিকারের সংজ্ঞা কত ধারায় বর্ণিত হয়েছে ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায়।
৬।স্থাবর সম্পত্তির মালিক কর্তৃক সত্ত্ব ও দখল উদ্ধারের মোকদ্দমা করা হয় কত ধারা মতে ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৪২ ধারা মতে।
৭।আইনগত পন্থা ব্যতিরেকে যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তি হতে দখলচ্যুত হয় তবে সে উহা পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা করতে পারেন ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা মতে।
৮।জোরপূর্বক স্থাবর সম্পত্তি হতে বেদখল হলে প্রতিকারের জন্য মোকদ্দমা করতে হবে ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা মতে।
৯।সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করা যায় কত ধারা মতে ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১০ ধারা মতে।
১০। চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা যায় কত ধারা মতে ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা মতে।
১১। চুক্তি প্রবলের বা বলবতের মোকদ্দমা করা হয় কত ধারা অনুসারে ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা মতে।
১২। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারার বিধান কি ?
উত্তর- যে সকল চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকারী করা যায়।
১৩।কোন ধরা মতে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন আদায় যোগ্য ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা মতে।
১৪। যখন চুক্তি ভুক্ত বা সম্মতি ভুক্ত কার্যসম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত ?
উত্তর- চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা হবে।
১৫।যে চুক্তির বিষয়বস্তু আংশিকভাবে বিলুপ্তি হয়েছে এবং চুক্তি অনুযায়ী কার্যসম্পাদন পুরোপুরি অসম্ভব নয় ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৩ ধারা মতে প্রতিকার
দেওয়া সম্ভব ।
১৬।সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৩ ধারার বিধান কি ?
উত্তর- চুক্তির আংশিক বলবত সম্ভব হবে।
১৭।আদালত কত ধারার ক্ষমতাবলে চুক্তি পালনের আদেশের সাথে বাদীর জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আদেশ মঞ্জুর করে ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারা বলে ।
১৮। জিম্মাদার গন কর্তৃক কৃত চুক্তি যা তাদের ক্ষমতা লঙ্ঘন করে করা হয়েছে অথবা তাদের জিম্মাদারি চুক্তি ভঙ্গ করে বা করা হয়েছে ?
উত্তর- সে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না।
১৯।সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারার বিধান কি ?
উত্তর- যে চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা যায় না।
২০। যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় উহা কত ধারায় বলা হয়েছে ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ ধারায় ।
২১।কোন ধারার বিধান মতে দলিল সংশোধন করা যেতে পারে ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা মতে।
২২।পারস্পরিক ভুলের দরুন যখন কোন চুক্তি বা অপর কোন লিখিত দলিল সত্যিকার ভাবে তাদের উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে না ?
উত্তর- দলিল সংশোধন করা যেতে পারে।
২৩।সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারা মতে চুক্তি রদ বা বাতিল করা যায় ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারা মতে।
২৪।সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারা মতে দলিল রদ বা বাতিলের মোকদ্দমা করা যায় ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারা মতে।
২৫। দলিল বাতিল বলতে কি বুঝেন ?
উত্তর- যে দলিল আদালত কর্তৃক বাতিল বা ভুয়া বলে ঘোষিত হয়েছে।
২৬।কে দলিল বাতিলের মোকদ্দমা করতে পারেন ?
উত্তর- যার বিরুদ্ধে বাতিল দলিল সৃষ্টি হয়েছে এবং যার যুক্তিসঙ্গত আশংকা রয়েছে তেমন দলিল তার গুরুত্বর ক্ষতির কারণ হবে।
২৭।দলিল বাতিল করতে আদালত যে কয়টি বিষয় খেয়াল রাখবেন তা হচ্ছে ?
উত্তর- দলিলটি বাতিল বা বাতিল যোগ্য, দলিল বাতিল না করলে বাদীর অপূরণীয় ক্ষতি হবে এবং আদালত ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে দলিল বাতিল করতে সক্ষম।
২৮।দলিল আংশিক বিলুপ্ত করতে পারেন কত ধারার বিধান মতে ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারার বিধান মতে।
২৯। যে পক্ষের অনুকূলে দলিল বিলুপ্তির রায় হয় সে পক্ষের নিকট হতে ক্ষতিপূরণ আদায়ের ক্ষমতা আদালতের আছে কোন ধারা মতে ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪১ ধারা মতে।
৩০। ঘোষণামূলক মোকদ্দমা করা হয় কোন ধারা মতে ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারা মতে।
৩১।আইনানুগ পরিচয় অথবা সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী ব্যক্তি ঘোষণামূলক মোকদ্দমা করতে পারেন এমন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ?
উত্তর- যিনি আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করেছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
৩২।ঘোটনামূলক মোকদ্দমার বর্তমান কোর্ট ফি কত ?
উত্তর- ৩০০ টাকা।
৩৩। যেখানে বাদী শুধুমাত্র স্বত্বের ঘোষণা ব্যতীত আরও প্রতিকার দাবী করতে সমর্থ কিন্তু তা করা হতে বিরত থাকে ?
উত্তর- সেখানে আদালত স্বত্বের ঘোষণা প্রদান করবেন না।
৩৪। সম্পত্তি হতে বেদখল হবার পর ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করলে ?
উত্তর- আদালত আর্জি অচল ও অরক্ষণীয় বলে খারিজ করে দিবেন।
৩৫।ইনজাংশন কোন ধরনের প্রতিকার ?
উত্তর- নিরোধক প্রতিকার।
৩৬।সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান কি ?
উত্তর- নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর যেভাবে করা হয়।
৩৭।সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৩ ধারার বিধান কি ?
উত্তর- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা।
৩৮। কত ধারা মতে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয় ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারা মতে।
৩৯।সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারা মতে আদেশমূলক বা বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয় ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা মতে।
৪০। নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হবে না কত ধারা মতে ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারা মতে।
৪১।সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারার বিধান কি ?
উত্তর- চুক্তির না-সূচক অংশ পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর।
৪২।চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা দায়েরর কারণ সৃষ্টি হয় ?
উত্তর- যখন প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকার অথবা ভোগে হস্তক্ষেপ করে অথবা করার হুমকি দেয়, যেখানে বিবাদী বাদীর পক্ষে জিম্মাদার।
৪৩।যেখানে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার হয় না ?
উত্তর- সেক্ষেত্রে আদালত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন।
৪৪।যখন একটি বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করান রোধ করবার জন্য এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় ?
উত্তর- সেক্ষেত্রে আদালত আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন।
৪৫।আদালত ইহা অবশ্যই ধরে নিবেন যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় ইহা কত ধারায় বলা আছে ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারার ব্যাখ্যায় ।
৪৬।সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার মোকদ্দমায় কোন বিষয়ের বিচার হয় ?
উত্তর- দখলের।
৪৭। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৪২ ধারার মোকদ্দমায় কোন বিষয়ে বিচার হয় ?
উত্তর- স্বত্ব ও দখলের ।
৪৮।আপনার স্বত্ব কেউ অস্বীকার করলে আপনি কত ধারা মতে মোকদ্দমা করবেন ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারা মতে।
৪৯। আপনাকে কেউ বেদখলের হুমকি দিলে আপনি কত ধরা মতে মোকদ্দমা করবেন ?
উত্তর- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারা মতে।

Leave a Reply